ওসমান গনি সালেহীর পরিচিতি (Introduction) পুরো নাম: মুহাম্মদ ওসমান গনি সালেহী ডাক নাম: সালেহী, তবে মাদরাসায় তিনি ”দিনাজপুরী হুজুর” নামে পরিচিত। বয়স: ৩৮ বছর জন্ম তারিখ: ১লা মার্চ ১৯৮৫ ঈসায়ী জন্মভূমি: গিরাগাঁও, আটোয়ারী, পঞ্চগড়, রংপুর, বাংলাদেশ স্থায়ী ঠিকানা: আটোয়ারী, পঞ্চগড়, রংপুর, বাংলাদেশ বর্তমান ঠিকানা: পূর্ব-বক্সনগর, সারুলিয়া,ডেমরা, ঢাকা-১৩৬১ জাতীয়তা: বাংলাদেশী লিঙ্গ: পুরুষ ধর্ম:ইসলাম সুন্নী পেশা: চাকুরীজীবি ফোন নম্বর: ০১৭১৬৬৪৩৮৮৭ ওসমান গনি সালেহীর শারীরিক পরিসংখ্যান ( Physical Appearance ) উচ্চতা (Height): ৫.৮ ইঞ্চি ওজন (Weight): ৭৯ কেজি রক্তের গ্র্রপ: অ পজেটিভ চুলের রং: কালো চোখের রং: কালো সন্তান: এক ছেলে, এক মেয়ে শখ:কুরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসূল শ্রবণ করা প্রিয় খাবার:খেজুর প্রিয় জায়গা: মক্কা শরীফ ও মদিনা শরীফ প্রিয় ব্যক্তি: হযরত মুহাম্মদ সা. প্রিয় শায়েখ:মাওলানা শাহ মোহেব্বুল্লাহ মা.জি.আ.
মুফতি মুহাম্মদ ওসমান গনি সালেহী এর জীবনী
Biographi of Mufti Muhammad Osman Goni Salehi
ওসমান গনি সালেহীর পরিচিতি (Introduction)
পুরো নাম: মুহাম্মদ ওসমান গনি সালেহী
ডাক নাম: সালেহী, তবে মাদরাসায় তিনি ”দিনাজপুরী হুজুর” নামে পরিচিত।
বয়স: ৩৮বছর
জন্ম তারিখ: ১লা মার্চ ১৯৮৫ ঈসায়ী
জন্মভূমি: গিরাগাঁও, আটোয়ারী, পঞ্চগড়, রংপুর, বাংলাদেশ
স্থায়ী ঠিকানা: আটোয়ারী, পঞ্চগড়, রংপুর, বাংলাদেশ
বর্তমান ঠিকানা: পূর্ব-বক্সনগর, সারুলিয়া,ডেমরা, ঢাকা-১৩৬১
জাতীয়তা: বাংলাদেশী
লিঙ্গ: পুরুষ
ধর্ম:ইসলাম সুন্নী
পেশা: চাকুরীজীবি
ফোন নম্বর: ০১৭১৬৬৪৩৮৮৭
ওসমান গনি সালেহীর শারীরিক পরিসংখ্যান ( Physical Appearance )
উচ্চতা (Height): ৫.৮ '' ইঞ্চি
ওজন (Weight): ৭৯ কেজি
রক্তের গ্র্রপ: অ পজেটিভ
চুলের রং: কালো
চোখের রং: কালো
সন্তান: এক ছেলে, এক মেয়ে
শখ:কুরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসূল শ্রবণ করা
প্রিয় খাবার:খেজুর
প্রিয় জায়গা: মক্কা শরীফ ও মদিনা শরীফ
প্রিয় ব্যক্তি: হযরত মুহাম্মদ সা.
প্রিয় শায়েখ:মাওলানা শাহ মোহেব্বুল্লাহ মা.জি.আ.
ইউটিউব:
ফেসবুক :
ইনস্টরাম:
টুইটার:
ওয়েবসাইট:
বিশিষ্ট আলেমে দীন, সুবিদিত ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখকও গবেষক, বিদগ্ধ আলোচক। বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে যেকজন আলেমে দীনের বিশ^ময় ব্যাপক সুনাম ও পরিচিতি ঘটেছে তাঁদের অন্যতম মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গনি সালেহী। বর্তমানে তিনি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দীনি ইলমের মারকাজ ”দারুন্নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা”র প্রধান ফকীহ ও দারুস সালাম সালেহীয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে ইলমে দীনের আলো বিকিরণ করছেন। এর আগেও তিনি বাংলাদেশের প্রথম কামিল মাদরাসা ”ছারছীনা জামেয়াই ইসলামীয়ার” ”এরাবিক লেকচারার” হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শিক্ষা, গবেষণা, ফাতাওয়া প্রদান, ওয়াজ-নসীহত, বই-পুস্তক, সভা-সেমিনারে লেকচার প্রদান করা, ইসলামী প্রশ্নোত্তরমূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সকল স্যাটালাইট টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলামি অনুষ্ঠানে সময় দেওয়া, পুস্তক প্রণয়নসহ বহুমুখি সেবামূলক কাজে ও সুমহান ইসলামের নিরন্তর খেদমত করে চলছেন গুণী এই আলেমে দীন। দীনের দাওয়াত বিশ^ময় ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে তিনি বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে ভারত, সৌদিআরব সফর করেছেন এবং একাধিক আর্ন্তজাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। ইসলাম নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি লেখালেখিও করেন মুফতি সালেহী। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয় প্রায় সময়। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে শতাধিক প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখেছেন। দারুন্নাজাত মাদরাসার ”মাসিক নতুন বিকাশ” পত্রিকার বিভাগীয় সম্পাদক হিসেবে ”ফাতওয়া বিভাগ”টি পরিচালনা করে আসছেন। আরবীতেও প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বহু লেখাযোখা। মুফতি ওসমান গনি সালেহী জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররামে জুমাপূর্বক আলোচনার পাশাপাশি ঢাকার মোহাম্মদপুরে ”টাউনহল শহীদপার্ক কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্স” এর সম্মানিত খতীব এবং প্রতি ইংরেজী মাসের দ্বিতীয় জুম’আ ”গুলশান মহাখালী গাউসূল আযম জামে মসজিদে” খুতবা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি এর পাশাপাশি তাঁর প্রতিষ্ঠিত একাধিক মাদরাসা পরিচালনার সাথেও যুক্ত আছেন। মুফতি ওসমান গনি সালেহী ডক্টর অফ ফিলোসফির জন্য জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগের অধীনে সহযোগী অধ্যাপক ড. রেজাউল হুসাইন স্যারের অধীনে ”ইসলামী আকায়িদ চর্চা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি মূল্যায়ণ” ঝঃঁফু ড়ভ ওংষধসরপ অয়ধববফ: অহ ঊাধষঁধঃরড়হ ওহ ঞযব ঈড়হঃবীঃ ঙভ ইধহমষধফবংয বিষয়ে গবেষণারত আছেন।
বাল্যজীবনঃ- মুফতি মুহাম্মদ ওসমান গনি সালেহী ১৯৮৫ঈসায়ী সালের ১লা মার্চ পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী থানাধীন গিরাগাঁও গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মুনসী মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন রহ. একজন স্বনামধন্য আলেমে দীন এবং সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ছিলেন। তার মাতা মরহুমা মুসাম্মাত শাহিদা খাতুন। তাঁর দাদা মুন্সী মরহুম মুহাম্মদ মিসির আলী রহ. একজন আশেকে রাসূল ও আলেমে দীন ছিলেন। কথিত আছে যে, দাদা মিসির আলী ইন্তিকালের সময় সহীহ বুখারী শরীফ পড়া অবস্থায় বুকে নিয়ে ইন্তিকাল করেন। চার ভাই-বোনের সবার ছোট তিনি।
শিক্ষাজীবনঃ মুফতি সালেহী ৩বছর বয়সে তার মমতাময়ী মাকে হারালে লেখাপড়া ও লালন পালনের দায়িত্বভার তার মামার ওপর বর্তায়। তাঁর মামা মুহাম্মদ রেজাকুল ইসলাম জনাব সালেহীকে ”দানাবীর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে”ভর্তি করে দেন। পরবর্তীতে ৩য় শ্রেণিতে গিরাগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ৫ম সমাপনী পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে সরকারী বৃত্তিলাভ করেন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন করে ইলমেদ্বীন শিক্ষাগ্রহণের মহান নিয়তে শৈশবকালে মাওলানা সালেহীকে তার পিতা ও নানা আলহাজ¦ উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মোত্তালিবের সহযোগিতায় হক্কানী আলেম বানানোর লক্ষ্যে স্থানীয় “লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলীয়া মাদরাসা”-এ ভর্তি করেন। তিনি এখান থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা কৃতিত্বের সাথে সমাপ্ত করেন।
মাওলানা সালেহী শিক্ষা জীবনের শুরুতেই প্রখর মেধার পরিচয় দেন। তিনি শিক্ষা জীবনে আরবি ও বাংলা পুস্তক একবার পাঠ করলে দ্বিতীয়বার দেখার প্রয়োজন হতোনা। এমনকি তিনি সেই কিতাবের পৃষ্ঠা ছিড়ে ফেলে দিতেন।
মাওলানা সালেহী দাখিল পরীক্ষার আগে স্বপ্নে তাকে ছারছীনা দরবার ও মাদরাসাকে দেখানো হলে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯৯ঈসায়ী সালে দাখিল পরীক্ষার পরপরই তাঁর মামা ও নানা উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মোত্তালিবের সহযোগিতায় মাওলানা সালেহী বাংলার জামে আল-আযহার নামে খ্যাত “ছারছীনা জামে'আ-ই-ইসলামিয়া পিরােজপুর-এ ভর্তি হবার আগে ছারছীনা দারুল উলুম মাদরাসায় (বর্তমান জামেয়ায়ে নেসারিয়া দীনিয়াত) ভর্তি হন। রেজাল্টের আগে তিনি সেখানে নাহু,সরফ, কাফিয়া, রওজাতুল আদব, মানতেক, উর্দু, তাইসিরুল মুবতাদী, কালিয়ুবী, ফার্সী ভাষায় গুলিস্তা ও বুস্তানে সাদীসহ অনেক কিতাব হল করেন। পরবর্তীতে ছারছীনা দারুসসুন্নাত কামিল মাদরাসায় বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে ক্রমান্বয়ে কৃতিত্বের সাথে ২০০১ঈসায়ী সালে আলিম প্রথম ও ২০০৩ সালে ফাযিল প্রথম শ্রেণিতে প্রথম, ২০০৫ সালে কামিল হাদীস বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয়, ২০০৭সালে তাফসীরে প্রথম, ২০০৮ ইফতা বিভাগে মুমতায ও বাংলাদেশ ইসলামী আরবী বিশ^বিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজে অনার্স ও জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে মাষ্টার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে সম্মানের সাথে উত্তীর্ণ হন। মাওলানা সালেহী কর্মজীবনে অধিক ব্যস্ত থাকার পরেও পড়া-লেখার ব্যাপারে একজন ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তি। এখনো তার সাথে দেখা হলে কোন না কোন বই তাকে পড়তে দেখা যায়। মুফতি ওসমান গনি সালেহী এই ব্যস্ততম জীবনে ডক্টর অফ ফিলোসফির জন্য জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগের অধীনে সহযোগী অধ্যাপক ড. রেজাউল হুসাইন স্যারের অধীনে ”ইসলামী আকায়িদ চর্চা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি মূল্যায়ণ” Study of Islamic Aqaeed: An Evaluation In The Context Of Bangladesh বিষয়ে গবেষণারত আছেন।
মাওলানা সালেহীর দেশ-বিদেশের অসংখ্য বুযুর্গ উস্তাযগণের মধ্যে অন্যতম ক’জন হলেন আলহাজ্জ মাওলানা আব্দুর রব খান (র.), মুফতিয়ে আজম আল্লামা আমজাদ হুসাইন রহ., আল্লামা রফিকুল্লাহ নেছারী মা.জি.আ.,আলহাজ্জ মাওলানা সূফী আব্দুর রশীদ (রহ.), শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. মুফতিয়ে আজম আল্লামা মুস্তফা হামিদী রহ. শাইখুল হাদীস আল্লামা তৈয়বুর রহমান রহ. শাইখুল হাদীস ওয়াত তাফসীর আল্লামা লুতফুর রহমান যশোরী রহ. আল্লামা আব্দুন নুর রহ. (দারুল উলুম)সহ প্রমূখ।
মুফতি সালেহী ইলমে শরীয়াতের পাশাপাশি ইলমে তাসাওউফও অর্জন করেন। তিনি ছারছীনা দরবারের বর্তমান গদ্দিনীশীন পীর মুজাদ্দিদে যামান, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরীকত, শাহ সূফী হযরত মাওলানা মুহাম্মদ শাহ মুহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ মা.জি.আ,এর হাতে বায়াত গ্রহণ করেন।
পারিবারিক জীবনঃ-মুফতি ওসমান গনি সালেহী ২০০৯ইং সালের ৪ঠা মে বাংলাদেশ জমিয়তে হিযবুল্লাহ দিনাজপুর জেলার সভাপতি ও পাকেরহাট ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ¦ শাহ মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের বড় মেয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মাওলানা সালেহী একপুত্র ওএক কন্যার জনক।
কর্ম জীবনঃ- মাওলানা ওসমান গনি সালেহী ২০০৫ঈসায়ী সালে বাংলাদেশের প্রথম কামিল মাদরাসা ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত কামিল মাদরাসা ও জামেয়ায়ে দীনিয়ায় আরবি লেকচারার পদে যােগদান করেন। সুনাম ও সুখ্যাতির সাথে ২বছর খিদমত করে সারা দেশে খ্যাতি অর্জন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকাস্থ ডেমরার ঐতিহ্যবাহী দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিস, অতঃপর ”প্রধান ফকীহ” হিসেবে বর্তমানে কর্মরত আছেন। মুফতি সালেহী ঢাকার মোহাম্মদপুরের ঐতিহ্যবাহী টাউনহল শহীদপার্ক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বর্তমান খতীব।
মুফতি ওসমান গনি সালেহীর মতে, তাঁর জীবনের সফলতার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলেন ছারছীনা শরীফের শ্রেষ্ঠতম ওলী হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লা মা. জি. আ.এর সান্নিধ্য লাভ করা এবং অধিকতর যোগ্য শিক্ষকগণের সাহচার্য পাওয়া। বিশেষ করে তাঁর বাবা মরহুম মৌলভী নাসির উদ্দীন রহ. প্রত্যেকটি মিলাদ মাহফিলে নামধরে দুআ করতেন আর এভাবে বলতেন আয় আল্লাহ তায়ালা আমার ছেলে ওসমান গনিকে তুমি হক্কানী আলেম বানিয়ে দিও। এখানে নিঃসঙ্কোচে বলা প্রয়োজন যে, ছারছীনা দরবারের উস্তায, নিবেদিত প্রাণ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ রফীকুল্লাহ নেছারী ছাহেবের প্রত্যক্ষ নেগরানীতে (ছারছীনায় পড়াবস্থায়) মুফতি সালেহী তাঁর জীবনকে বিকশিত করার সুযোগ লাভ করেন।
কৃতিত্বঃ- মুফতি ওসমান গনি সালেহী শিক্ষকতার জীবনে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। তার শাগরিদদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্র বর্তমানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ে এবং দেশের বিভিন্ন দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, মুহাদ্দিস, মুফাসসির, ফকীহ এবং আদীব পদে কর্মরত রয়েছেন। তার অনেক ছাত্র যারা নিজহাতে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গড়ে দ্বীন ইসলামের খিদমত করে চলেছেন। মাওলানা সালেহী শুধু একজন খ্যাতিমান শিক্ষকই নন বরং তিনি একজন সফল মুবাল্লিগও বটে। তিনি পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচারের সুমহান উদ্দেশ্যে সুদূর সৌদী আরব, ভারতসহ পৃথিবীর অসংখ্য দেশে সফর করে থাকেন। বাংলাদেশসহ গোটাবিশ্বে কোটি কোটি মানুষ তার ভক্ত এবং অনুরক্ত রয়েছে।
মাওলানা ওসমান গনি সালেহী একজন সফল এবং উল্লেখযোগ্য মিডিয়া ব্যক্তিত¦। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন, চ্যানেল আই, বাংলাভিশন, জিটিভি, মাই টিভি, আরটিভি, এন টিভি, একুশে টিভি, বৈশাখী টিভিসহ অসংখ্য স্যাটেলাইট চ্যানেলে তিনি নিয়মিত ভাষ্যকার এবং উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি রেডিও টুডে, রেডিও ভ’মিসহ ইলেকট্রনিক্স এবং প্রিন্টিং মিডিয়াগুলোতে ইসলাম প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। মাওলানা সালেহী সমকালীন ইসলামের ন্যায্য দাবী আদায়ের ক্ষেত্রেও অগ্রজনদের অন্যতম।
মাওলানা সালেহী দেশ-বিদেশে ওয়াজ-নসীহতে শত ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত বই পুস্তক অধ্যয়ন করেন। ইসলামের জটিল এবং কঠিন বিষয়গুলোকে গবেষণামূলক সমাধান দেওয়ার জন্য তিনি ”সালেহী রিচার্স সেন্টার” নামক একটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। ক্ষুরধার লিখুনির মাধ্যমে ইসলামের প্রচার এবং প্রসারের জন্য "সালেহী ফাউন্ডেশন" নামে একটি কলম সৈনিকদের মিলনকে›ন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বীনী শিক্ষা মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে মাওলানা তাঁর এলাকায় ”খানকায়ে সালেহীয়া মুহিব্বীয়া কমপ্লেক্স” প্রতিষ্ঠা করেন। এই কমপ্লেক্সের অধীনে রয়েছে জামি'আ-ই-দ্বীনিয়াহ, আলহাজ¦ আরব আলী মাদরাসা জামে মসজিদ, হযরত শাহ আরীফ রহ. এতিমখানা, নেছারিয়া হিফযখানা সহ জনহিতকর কার্যক্রম অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।